![]() |
| বাংলাদেশের খরা প্রবণ জেলা কয়টি |
বাংলাদেশে খরা মানেই শুধু শুকনো মাটি নয়—এ যেন প্রকৃতির এক নীরব রাগ! শুষ্ক মৌসুমে টানা ২০ দিন কিংবা তারও বেশি সময় যদি এক ফোঁটা বৃষ্টিও না পড়ে, তখনই শুরু হয় খরার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এই সময় মাঠে ফসলের গন্ধের বদলে ভেসে আসে ধুলোর ঘ্রাণ, আর কৃষকের মুখে ফুটে ওঠে চিন্তার ছাপ।
বাংলাদেশের মানচিত্রে কিছু এলাকা আছে যেগুলো যেন খরার স্থায়ী আস্তানা! রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, দিনাজপুর, বগুড়া ও কুষ্টিয়া—এই ছয়টি জেলা দেশের অতি খরাপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। বর্ষার সময় এরা হয়তো হাসে, কিন্তু শুষ্ক মৌসুম এলেই যেন প্রকৃতি সেখানে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
খরার সবচেয়ে বড় আঘাত পড়ে কৃষিতে। ফসলের ফলন কমে যেতে পারে শতকরা ১৫ থেকে ৯০ ভাগ পর্যন্ত—অর্থাৎ, একে শুধু আবহাওয়ার সমস্যা বলা চলে না; এটা যেন জীবিকার সংকট, গ্রামের অর্থনীতির নীরব ক্ষত।
তবুও, বাংলাদেশের মানুষ হাল ছাড়ে না। খরার এই ছয় জেলাও প্রতি বছর নতুন আশায় মাঠে নামে, কারণ বৃষ্টি না এলেও আশার আকাশ তারা কখনো শুকাতে দেয় না।
মূল তথ্য: বাংলাদেশের খরা প্রবণ জেলার সংখ্যা ছয়টি — রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, দিনাজপুর, বগুড়া ও কুষ্টিয়া।
